Random Posts
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
ব্লগ সংরক্ষাণাগার
- আগস্ট 2022 (1)
- মে 2022 (3)
- অক্টোবর 2020 (1)
- সেপ্টেম্বর 2020 (8)
- আগস্ট 2020 (1)
kalakkhor. Blogger দ্বারা পরিচালিত.
লেবেল
- অতৃপ্ত আত্মা
- আফিম যুদ্ধ
- আফিম যুদ্ধের কারন
- ইউ টিউব
- ইউ টিউব মনেটাইজেশন
- ইঙ্গ চায়না যুদ্ধ
- কালাক্ষর
- টেক ডক্টর
- প্রেমিক
- প্রেমিকা
- প্রেমের গল্প
- প্রেমের পরিক্ষা
- ফেসবুক স্ট্যাটাস
- বাংলা গল্প
- বাণিজ্য যুদ্ধ
- বিয়ের পর
- ভালবাসার গল্প
- ভূতের গল্প
- মনেটাইজেশন
- রিলেশান
- রোমান্টিক
- রোমান্টিকতা
- রোমান্স
- সংসার
- সুইসাইড
- Bangla New Song 2022
আমার সম্পর্কে
কালাক্ষর
Lorem 1
Technology
Circle Gallery
‹
›
Shooting
Racing
News
Lorem 4
- আত্মহত্যার কথা শুনলে একটা নাম মাথায় ঘুরে..!

- জুনকো ফুরুতা।
- যদিও জুনকোর সাথে আত্মহত্যার কোন সম্পর্ক ছিল না।
- ১৭ বছর বয়সী জাপানিজ মেয়ে জুনকো ২২ নভেম্বর, ১৯৮৮ সালে স্কুল শেষে ঘরে ফিরছিলো। কিন্তু সে আর কখনোই ঘরে ফিরতে পারেনি..!
- জো কামিসাকু এবং তার ৩ সাথি জুনকোকে কিডন্যাপ করে।
- তারপর একটি ঘরে তাকে ৪৪ দিন বন্দী করে রাখা হয়। আরো ভাল হয় একে "44 days of hell" বলা হলে।
- রেপিস্টরা জুনকোর ক্লাসমেট ছিলো।
- শুধু মাত্র রিভেঞ্জ নেয়ার জন্যই তাকে আটকে রাখা হয়।
- কারণ জুনকোর না করেছিল ছেলেটির সাথে রিলেশনসীপে যাওয়ার জন্য।
- ১ম দিন (২৫)নভেম্বর) তাকে ধর্ষণ করা হয়। স্ট্রিপ ড্যান্স করানো হয়।
লাইটার দিয়ে তার চোখ, নাক, কান, ভ্যাজাইনা জ্বালানো হয়। গরম লোহা তার ভ্যাজাইনাতে প্রবেশ করানো হয়। তাকে কিচ্ছু খেতে দেওয়া হয়না। পরে জোর করে তেলাপোকা আর প্রস্রাব খাওয়ানো হয়।
- ১১তম দিন (১ ডিসেম্বর) তাকে বেধরক পেটানো হয়। তার মুখ কনক্রিটের ফ্লোরের উপর রেখে তার উপর লাফানো হয়।
- সিলিং এর সাথে ঝুলিয়ে তার মুখ থেকে রক্ত বের না হওয়া পর্যন্ত তাকে পাঞ্চ করা হয়। তার নাকে এত রক্ত জমে গিয়েছিলো যে সে শুধু মুখ দিয়ে নিশ্বাস নিতে পারতো।
- পানি খেয়ে সে বমি করে দেয়,কারণ তার পরিপাক ক্রিয়া একদম নষ্ট হতে গিয়েছিলো। সিগারেট দিয়ে তার হাত পোড়ানো হয়। কিছু দাহ্য লিকুয়িড তার হাতে পায়ে ঢেলে জ্বালিয়ে দেয়া হয়।
- এমন আরো অনেক কিছুই যা বলতে ইচ্ছে হচ্ছে না।
- ২০তম দিন (১০ ডিসেম্বর) ব্যাম্বু স্টিক দিয়ে তাকে মারা হয়। পা জ্বলে যাওয়ার কারণে সে হাঁটতে পুরোপুরি অক্ষম।
- ভারী বস্তু দিয়ে হাত ভেঙে দেয়া হয় আর নখ উপড়ে দেয়। গল্ফ স্টিক দিয়ে পেটানো হয়। প্রাইভেট পার্টে সিগারেট জ্বালিয়ে ঢুকিয়ে দেয়।
তার নিজের ইউরিন তাকেই খেতে দেয়। আবার লোহার রড দিয়ে পেটায়। চিকেন গ্রিল করার রড তার প্রাইভেট পার্টে প্রবেশ করায়।
- সে পালানোর চেষ্টা করলে আবার তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। তবে এই যাত্রায় সে বেঁচে যায়।
- ৩০ তম দিন (২০ ডিসেম্বর) তার মুখে ওরা গরম মোম ঢেলে দেয়। চোখের পাতা লাইটার দিয়ে জ্বালায়। নিপল কেটে দেয়া হয়।
- গরম বাল্ব তার ভ্যাজাইনাতে প্রবেশ করায়। কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ব্রেইনের সাইজ কমে যায় এর ফলে।
- ৪০ তম দিন (৩০ ডিসেম্বর) জুনকো কিডন্যাপারদের কাছে মৃত্যুর ভিক্ষা করে।
- ৪৪ তম দিন (৪ জানুয়ারি) জুনকোকে আবার লোহার রড দিয়ে পেটানো হয়। আবার তার পুরো শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়।
- প্রায় দুই ঘন্টা চলে এই টর্চার। এই ৪৪ দিনে তাকে ৪০০ বারের বেশি ধর্ষন করা হয়।
- জুনকো মারা যায়, ৪ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
-১৭ বছর বয়সী জুনকো ফুরুতা তীব্র ব্যাথা, কষ্ট আর প্রচণ্ড একাকিত্ব নিয়ে মারা যায়।
- এই মৃত্যুর কাছে পৃথিবীর যাবতীয় মৃত্যুকে খুব ছোট মনে হয়।
- আমরা ছোট খাটো ব্যাপারেই ডিপ্রেসড হয়ে পড়ি। তুচ্ছ ব্যাপার নিয়ে আত্মহত্যা করে ফেলতে একটুও দ্বিধাবোধ করি না।
- জুনকোও নিজের মৃত্যু চেয়েছিলো। কিন্তু তার ব্যথার কাছে আজকের তরুণীর ব্যাথাটা নিতান্ত ছাইপাঁশ।
কালাক্ষর - ভালবাসার গল্প - সুইসাইড
বিয়ের ২মাস পর সায়েমের সাথে রাগ করে তাকে ডিভোর্স দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাবার বাড়িতে চলে আসি।বেশ কয়েকবার সায়েম কল দিয়েছে।এই নিয়ে মোট ১০৮টা মেসেজ জমা হয়েছে। আর সব গুলো মেসেজই দিয়েছে সায়েম।প্রতিটা মেসেজে লেখা ছিল "ভালোবাসি প্রিয়"
সায়েমের সাথে আমার ঝগড়ার মূল কারণ তার মা।মহিলা ভীষণ জেদি।আমি সকালে ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি না উঠলে সায়েমকে বলে বউমাকে সকালে তাড়াতাড়ি উঠতে বলিস।রান্নায় লবণ কম বা বেশি হলেই বলবে একটু দেখেশুনে রান্না করো।আমি আর সায়েম তো কোথাও ঘুরতেই যেতে পারি না উনি কল দিয়ে বার বার বলবেন তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরতে।এইসব বিষয় আমি কোনো ভাবে মেনে নিতে পারছিলাম না।তাই চলে এসেছি।
ঠিক রাত ১০টায় রাতের খাবারটা শেষ করে শুয়েছি।এপাশ ওপাশ করছি।কোনোভাবে ঘুম আসছে না।বিছানা থেকে উঠে রুমের একটা দরজা খুলে দিলাম।আমার রুমে ২টা দরজা একটা দিয়ে সবাই আসা যাওয়া করে আরেকটা বেলকনির দরজা।আমি বেলকনির দরজাটা খুলেছি।বাহ!কি মিষ্টি বাতাস।চারিদিকে নিস্তব্ধতা।কোথাও কোনো আওয়াজ নেই।হালকা মৃদু বাতাসে চুল গুলো উড়ছে।
চোখ বন্ধ করে নিস্তব্ধতা অনুভব করছি।অনেকদিন পর এমন একটা সময় এসেছে।মাঝে মাঝে একা হয়ে যাওয়া ভালো নিজেকে চেনা যায়।নিজের ভিতরের আমিটাকে ভিতর থেকে টেনে বের করে সামনে একটা কল্পনার মানুষ ভেবে দাঁড় করিয়ে অনেক না বলা কথা বলা যায়।
একটু পরে হঠাৎ কে যেনো আস্তে করে আমার রুমের দরজাটা খুলছে।কানে একটা শব্দ ভেসে আসলো।পিছনে ফিরে তাকাতে দেখি মা দরজা খুলছে।মা আমার কাছে এসে বলছে।
--কিরে!ঘুমাসনি?
--না মা।ঘুম আসছে না।
--আমি জানতাম তোর ঘুম আসবে না।
--কিভাবে জানলে?
--মা রা সব জানে।
বলে মা হাসছে।আমি আমার চেয়ারটা মায়ের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলছি বসো মা।
মা চেয়ারে বসেছে।আমি ফ্লোরে বসে আস্তে করে মাথাটা মায়ের কোলে রাখলাম।মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে।মনে হচ্ছে বুকের ভিতর জমাট বাঁধা কষ্ট গুলো শূন্যে মিলিয়ে যাচ্ছে।হাত বুলাতে বুলাতে মা বলছে জানিস!একদিন তোর বাবার সাথে রাগ করে আমিও তোর মত তোর নানার বাড়ি চলে গিয়েছিলাম।কারণ ছিলো তোর দাদু।উনি ভীষণ রাগী ছিলেন।সব কিছু ঠিক টাইমে হতে হবে।টাইমের নড়চড় হতে পারবে না।দুপুরের খাবার ১২টার মধ্যে রেডি হতে হবে বিকালের নাস্তা ৪টার মধ্যে টেবিলে থাকতে হবে।রাতের খাবার ঠিক ৯টায়।সকালে তো ভোরে ভোরে ঘুম থেকে উঠতেই হবে।তা না হলে কেলেংকারী হয়ে যেতো।এইসব প্রথমে প্রথমে মেনে নিতে পারতাম না।মনে হতো কেউ একজন আমাকে পরিচালিত করছে আর আমি পরিচালিত হচ্ছি।তাই তোর বাবার সাথে এইসব বিষয়ে ঝগড়া করে চলে গেলাম।তখন শ্রাবণ মাস।প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছিলো।
তোদের মতো এই মোবাইলের যোগ ছিলো না তখন।তোর বাবা আমাকে ফিরিয়ে আনতে গেলো।আমি রাগ করে তাকে আমার রুমে ঢুকতে দিলাম না।সে যেতে যেতে বললো যতক্ষণ তোমার রাগ কমবে না আমিও যাবো না।তোমাকে নিয়েই বাড়ি ফিরবো।আমি মনে মনে বলছি এএহ!কত আসছে আমাকে ফেরাতে।একটু পরই তো শুরশুর করে আবার চলে যাবে।ততক্ষণে বাইরে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে।এই সেই বৃষ্টি না একেবারে ঝুম বৃষ্টি।তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা খুলে দেখলাম সে বাইরে বৃষ্টিতে সিনেমার নায়কদের মত দাঁড়িয়ে আছে।মনে মনে খুব ভালো লাগছিলো কেউ একজন আমার জন্য নায়ক হলো।আবার ভয় করছিলো যদি ঠান্ডা লেগে যায়।ভয়ে আমিও নায়কার মতো ছাতা নিয়ে বের হয়ে তোর বাবাকে বাসায় নিয়ে আসলাম।
তারপর আমরা তোর দাদু বাড়ি চলে আসি।আমি চাইলে সেদিন রাগ করে না এসে বিষয়টা একটা বড় ইস্যু বানিয়ে নিতে পারতাম।আমি শুধু একটা কথাই ভেবেছি তোর দাদু আমাদের গুরুজন তিনি কখনো আমাদের ক্ষতি চাইবেন না।তারপর থেকে তোর দাদুর বকা গুলোকে দোয়া ভেবেছি।আর তিনি চলে যাওয়ার পর বুঝতে পারছি তিনি কখনো আমাদের ক্ষতি হোক সেটা চাননি।
তোরা তো একজন অন্যজনকে নিজের পছন্দে বিয়ে করেছিস।তাহলে ছেড়ে আসার কথা ভাবিস কি করে বল!
একটুপর মা ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বলছে রাত অনেক হয়েছে যা ঘুমিয়ে পর।আমি বিছানায় শুয়েছি।মায়ের কথায় মনটা যেনো হালকা হয়ে গেলো।ভাবছি সায়েমকে একটা কল দি।না থাক কাল সকালে দিবো।মা লাইট বন্ধ করে চলে গেলো।আমিও ঘুমিয়ে পড়লাম।সকালে চোখ মেলতে না মেলতে সায়েমের কল।এতদিন রাগ করে কল রিসিভ করিনি।আজকে করলাম।হ্যালো বলতেই ওপাশ থেকে সায়েম ব্যস্ত গলায় বলছে প্লিজ চলে এসো তোমাকে ছাড়া ভালো লাগছে না।আমি বললাম কখন আসছো আমাকে নিয়ে যেতে?
সায়েম খুশি খুশি মুখে বলল একটু পর বের হবো।আচ্ছা বলে লাইনটা কেটে দিলাম।সায়েম আসলো তার সাথে চলে গেলাম।
শশুর বাড়িতে গিয়ে আস্তে আস্তে সব কিছুর সাথে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি।সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠছি নাস্তা তৈরি করে টেবিলে সাজিয়ে দিচ্ছি।সবার পছন্দ অনুযায়ী চলছি।সব কিছু ঠিক এখন।আমিও বেশ ভালো আছি।
একদিন সায়েম অফিসের ফাইল নিয়ে কাজ করতে বসেছে।২টা শাড়ি হাতে নিয়ে সায়েমের সামনে গিয়ে বলছি দেখো তো কোন শাড়িটা আমাকে ভালো লাগবে?সায়েম একটু গম্ভীর গলায় বললো জানি না।আমি আবারো বললাম একটু দেখে বলো না। সায়েম বললো পরে দেখবো এখন কাজ করছি আমি আরেকটু সামনে গিয়ে বললাম তুমি দেখবে কি না বলো সায়েম প্রায় আমার গায়ে হাতটা তুলেই ফেলবে এমন করে বললো যাও তো এইখান থেকে।
বিষয়টা আমার কাছে খুব অপমানের লাগলো আমি মাথা নিচু করে চলে যাচ্ছি খুব কান্না পাচ্ছে।চোখ মুছতে মুছতে রুম থেকে বের হচ্ছি এমন সময় মা মানে সায়েমের মা আমাকে দেখলো কাঁদছি।এসে আমার হাত ধরে সায়েমের সামনে নিয়ে গেলো।নিয়ে গিয়ে বলছে বউমার কাছে এক্ষুনি ক্ষমা চেয়ে নে।তোকে আমি এই শিক্ষা তো দেয়নি কখনো।সে তো বেশি কিছু চাইনি।তোর কাছে কোন শাড়িটা ভালো লাগবে সেটাই জানতে চেয়েছে।সায়েম নিচু গলায় আমাকে সরি বলছে সেদিকে আমার খেয়াল নেই।আমি দেখে আছি মায়ের দিকে।যে মানুষটার দোষ দিয়ে আমি একদিন সংসার ভাঙতে চেয়েছি আজ সে আমার সব চেয়ে কাছের মানুষ হয়ে গেলো।
তারপর থেকে মা'ই আমার সব।মায়ের সাথে থাকতে থাকতে নিজের মায়ের কথা ভুলে গেছি।মন জয় করতে শুরুর দিকে একটু কষ্ট হয়েছে ঠিকই কিন্তু এখন তিনিই আমার মা।সায়েম তো এখন আমাকে আর মাকে দেখে হিংসে করে।প্রায় ভাবি মা যদি কখনো আমাদের ছেড়ে চলে যান সব চেয়ে বেশি কষ্ট হবে আমার।
গল্পঃসংসার
লেখাঃসাদিয়া ইসলাম ইকরা
কালাক্ষর - প্রেমিক - বাংলা গল্প - বিয়ের পর - ভালবাসার গল্প - রোমান্স - সংসার
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
